প্রভু, তোমার বীণা যেমনি বাজে আঁধার-মাঝে অমনি ফোটে তারা। যেন সেই বীণাটি গভীর তানে আমার প্রাণে বাজে তেমনি ধারা। তখন নূতন সৃষ্টি প্রকাশ হবে কী গৌরবে হৃদয়-অন্ধকারে। তখন স্তরে স্তরে আলোকরাশি উঠবে ভাসি চিত্তগগনপারে। তখন তোমারি সৌন্দর্যছবি ওগো কবি আমায় পড়বে আঁকা- তখন বিস্ময়ের রবে না সীমা ওই মহিমা আর যাবে না ঢাকা। তখন তোমারি প্রসন্ন হাসি পড়বে আসি নবজীবন-'পরে। তখন আনন্দ-অমৃতে তব ধন্য হব চিরদিনের তরে।
বহিয়া হালকা বোঝা চলে যায় দিন তার অবকাশ দেয় না সে কোনো দুশ্চিন্তার! সম্বল কম বটে, আছে বটে ঋণ দায়-- অনুরাগ নেই তবু ভাগ্যের নিন্দায়। পাড়া-প্রতিবেশীদের কটুতম ভাষ্যে নীরব জবাব তার স্মিত ঔদাস্যে জন্ম নেবার কালে পেয়েছিল যৌতুক ভাঙাচোরা জীবনের বিদ্রূপে-- কৌতুক।